ছোট বোনের নিলাম হওয়া শরীর
সেদিন শুক্রবার। দুপুর থেকেই আকাশ মেঘলা। রাহিমের বাবা-মা সকালেই গ্রামের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে গিয়েছিল। বাসায় শুধু রাহিম আর তার ছোট বোন রিয়া।বিকেল ৫টায় রাহিমের ফোনে একের পর এক মেসেজ আসতে লাগল। সাজিদ লিখল, “আজকে খালি বাসায় আড্ডা দিবি?” ইমরান বলল, “বারান্দায় বসে সিগারেট খাওয়া যাবে।” নাফিস শুধু লিখল, “আসছি।”সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে তিনজনই এসে গেল। সাজিদ হাতে এক বোতল হুইস্কি নিয়ে এসেছে, ইমরান চিপস আর বাদাম, নাফিস এক প্যাকেট গরম সিঙ্গাড়া। লিভিং রুমের বড় সোফায় সবাই বসল। ফ্যান জোরে চলছিল, জানালার পর্দা উড়ছিল।রিয়া তখন ভিতরের ঘরে পড়াশোনা করছিল। রাহিম উঠে গিয়ে বোনের দরজায় টকটক করে বলল, “রিয়া, বাইরে আয়। বন্ধুরা এসেছে। একটু নাশতা জল খাইয়ে দে।”রিয়া দরজা খুলে বেরিয়ে এল। পরে ছিল হালকা গোলাপি রঙের একটা ঢোলা গলা কাটা কুর্তি। গলার কাটা অংশটা এতটাই চওড়া যে সামনে একটু ঝুঁকলেই তার দুই স্তনের মাঝের গভীর খাঁজ আর লাল ব্রার উপরের অংশ পরিষ্কার চোখে পড়ে। নিচে কালো টাইট জিন্স। চুল দুই ভাগ করে বাঁধা, মুখে হালকা পাউডার আর লাল লিপস্টিক।সে রান্নাঘরে গিয়ে চা বানাল, সিঙ্গাড়া গরম করল, আর এক প্লেটে বিস্কুট সাজাল। তারপর থালা হাতে...