দুটা বই ভাইবোনের জীবন পাল্টে দিল
আমরা দুই ভাই এক বোন, আমি আতিক ২২ সবার বড়ো, এইচএসসি পাশ করে নিজেদের খেত খামারে কাজ করি,মাঝে মাঝে দোকানেও বসি,। তারপর বোন আয়েসা ১৭ এবছর এসএসসি পরীক্ষা দিবে। সবার ছোট আমির, বসয় মাত্র পাঁচ বছর। সবাই জানতো আমি ও আয়েসার পর বাবা মা আর সন্তান নিবে না,আমরা দুই ভাই বোন মোটামোটি বড়ো হয়েছি,এমন সময় আমার আম্মাজানের পেট ফুলতে লাগলো,যখন ছয় সাত মাস তখন তো মা লজ্জায় আমার সামনেই আসতো না। মনে মনে তা দেখে আমি হাসতাম। যা হোক, সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়েসা কে পড়তে বসায়,তারপর নাস্তা খেয়ে সাইকেলে করে তাকে স্কুলে দিয়ে আসি,স্কুল দুরে হওয়ায় নিয়ে যেতে হয়,আবার দুটের সময় নিয়ে আসি। আর আরেকটা কারন আছে, তা হলো আয়েসার মতো সুন্দরী এ গ্রামে দ্বিতীয়টি নেই,,আয়েসাকে দেখার জন্য রাস্তার ধারে বাজে ছেলেরা বসে থাকতো,,।। তা শুনে নিজেই ভাই হিসেবে দ্বায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলাম,আয়েসার সাথে প্রতি দিন আমাকে আসতে দেখে ছেলেপুলে নিরাশ হয়ে রাস্তার ধারে বসে থাকা বন্ধ করে দিলো। কারন এটুকু তারা বুঝেছিলো যে আমার সাথে লাগতে এলে দু-চার জনের হাড্ডি গুড়ো করে ছাড়বো,পুরো এলাকায় কুস্তীতে আমার সাথে কেও পেরে উঠতো না। বাড়ীতে ঘর ছয়টা, উত্তরের বড়ো ঘরে বাবা ...